জাতীয়

মন্ত্রিসভা থেকে বিদায় নেওয়ার আগে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রিসভা থেকে বিদায় – অনানুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রিসভা থেকে বিদায় নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (০৩ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে তিনি এমনটাই বলেন। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে দুপুরে মন্ত্রিসভার শেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, আজ (সোমবার) আমাদের (মন্ত্রিসভা) শেষ বৈঠক। এরপর মন্ত্রিসভার আর কোনো বৈঠক হবে না। সবাই নিজ নিজ এলাকায় চলে যাবেন নির্বাচনী কাজে। আর দেখা হবে না। আগামীতে জনগণ যাকে ভোট দেবে অর্থাৎ জনগণ কাকে ভোট দেবে এটা তারাই জানেন।

‘পরবর্তীতে নতুন সংসদ হবে, নতুন কেবিনেট হবে, সেখানে কারা আসবে সেটা তো এখনই বলা যায় না, সবাই ভালো থাকবেন। সবাইকে ধন্যবাদ।’

বৈঠক শেষ সেখানে অংশ নেওয়া একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এমনটা জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

হঠাৎ কেন ভোটের আগে হাওলাদারকে সরিয়ে নিলেন এরশাদ?

নির্বাচনের আগে হঠাৎই জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মশিউর রহমান রাঙাকে নতুন মহাসচিব নিয়োগ দিয়েছেন পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১/ক ধারা মোতাবেক- এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

সোমবার বেলা ১১টায় নতুন মহাসচিব নিয়োগের চিঠিতে স্বাক্ষর করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।

মশিউর রহমান রাঙাকে দেয়া চিঠিতে বলা হয়েছে-‘আপনাকে জাতীয় পার্টির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হল। পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্যের পাশাপাশি আপনি এ অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে। জাতীয় পার্টির বহু পোড় খাওয়া নেতা মনোনয়ন না পেলেও নিজের ও স্ত্রীর জন্য মহাজোট থেকে দুই আসন বাগিয়ে নেন রুহুল আমিন হাওলাদার।

জাতীয় পার্টির একজন সিনিয়র নেতা গণমাধ্যমকে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন নিয়ে দরকষাকষির সময় জাতীয় পার্টিতে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে খোদ দলীয় নেতাদের মধ্য থেকেই।

দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কয়েকজন প্রকাশ্যে এ সংক্রান্ত অভিযোগ আনেন এবং তাদের ক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন রুহুল আমিন হাওলাদার।

জাতীয় পার্টির আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য গণমাধ্যমকে বলেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর মনোনয়ন নিয়ে যা ঘটেছে তাতে জেনারেল এরশাদ ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

রুহুল আমিন হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে তার স্ত্রী নাসরিন জাহান রত্না গনমাধ্যমকে বলেছেন, তার স্বামীর বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

তিনি বলেন, “মহাসচিব পরিবর্তন করেছেন পার্টির চেয়ারম্যান এবং সে এখতিয়ার ওনার আছে।

এরশাদ সরকারের আমলে রুহুল আমিন হাওলাদার মন্ত্রী ছিলেন। তবে তিনি প্রথম মহাসচিব হয়েছিলেন ২০০২ সালে। এরপর ২০১৩ সালের এপ্রিলে তাকে অব্যাহতি দিয়েছিলেন হসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

পরবর্তীতে অব্যহতির দুই বছর পরে ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে তাকে আবার মহাসচিব নিযুক্ত করা হয়।

এখানে মন্তব্য করুন