ধর্ম ও স্বাধীনতাসম্পাদকীয়

আধ্যত্মিক সাধক ও তরিকতের শেখ হযরত শাহছুফী মওলানা আশরাফ আলী আলকাদেরী (রহ:) : মুহাম্মদ ইকবাল কাদেরী

ভূমিকা : মহান আল্লাহ তাঁহার নিজ অনুগ্রহে মানব জাতির মধ্যে এমন কিছু ক্ষণজন্মা ব্যক্তিত্ব প্রেরণ করেন, যারা সমগ্র জীবন মানবতার কল্যাণে অসীম শ্রম ও মেধা বিলিয়ে দিয়ে জাতির নিকট চিরদিন শ্রদ্ধার পাত্র হিসাবে স্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে থাকেন। এসকল মনীষীদের অনেকে আবার প্রচার বিমুখ থাকার কারণে সমাজের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী তাদের কর্মতৎপরতা ও পরিধি সম্পর্কে ওয়াকিফহাল থাকেন না। সমাজের ক্ষণজন্মা এসব গুণীজনদের আলোচনা আরো গুনীজণ জন্ম নেওয়ার আগ্রহ সৃষ্টি করে। গুনিজনেরা সমাজে তাদের কর্মে বেঁচে থাকে। সমাজ বিনির্মানে তাঁরা হলেন বাতিঘর। সমাজ তাদের আলোকে আলোকিত হয়। এরূপ এক আলোকিত মানুষের জীবন চরিত তুলে ধরাই হল এই প্রবন্ধের মূল লক্ষ।

বার আউলিয়ার পুণ্যভূমি চট্টগ্রাম। এই চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলা অসংখ্য জগতবিখ্যাত আলেম উলামা পীর মাশায়েখ ও ওলী আউলিয়ার পীঠ স্থান। পটিয়া সদর পৌরএলাকার ১নং ওয়ার্ড আল্লাই ও ওখারা গ্রাম প্রকাশ কাগজীপাড়া অনেক প্রতিতযশা আলেমেদ্বীনের জন্মে ধন্য জনপদ। তাদের উল্লেখযোগ্য হলেন হযরত মৌলানা হাফেজ কারী আশরাফ আলী আল কাদেরী (রা:), হযরত মৌলানা আমির আলী সাহেব, মৌলানা সুলতান আহমদ সাহেব, মৌলানা আমীন সাহেব, মৌলানা আবদুল ওহাব সাহেব, হাফেজ আবদুল বারিক সাহেব, অধ্যক্ষ মৌলানা ইব্রাহীম সাহেব, মৌলানা আহমদুল হক সাহেব প্রমুখ। এটা নিঃসন্দেহে এলাকাবাসীর জন্য আনন্দ ও গৌরবের বিষয়। আজকের ক্ষুদ্র পরিসরে এতদ এলাকার বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন, তরিকতের শেখ, আধ্যাত্মিক সাধক, ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুপম আদর্শ, শিক্ষার আলো বিস্তারে নিবেদিত প্রাণ হযরত হাফেজ মৌলানা আশরাফ আলী আল কাদেরী (রা:) এর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মের সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরেছি।

জন্ম বৃত্তান্ত : হযরত শাহছুফী মওলানা আশরাফ আলী আলকাদেরী (রহঃ) এর জন্ম চট্টগ্রাম জেলার অর্ন্তগত পটিয়া উপজেলার সদর পৌরসভাস্থ ১নং ওয়ার্ডের আল্লাই গ্রামে ১৮৭৩ সালে এক সভ্রান্ত ধমীক পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁহার পিতার নাম- মরহুম মোহাম্মদ আলী, মাতা- ফাতেমা খাতুন। পিতা মাতা উভয়ে ছিলেন মুত্তাকি, পরহেজগার ও ধর্মভীরু। তাহার বংশ সম্পর্কে যতটুকু নিশ্চিতভাবে জানা যায়, তিনি সপ্তদশ শতকের আরাকানের রোসাংগ রাজসভার কবি সৈয়দ আলাউল (১৬০৭-১৬৭৩) এর বংশধর। মৌলানা সাহেবের পিতা- মোহাম্মদ আলীর পূর্ববর্তীগণ হাটহাজারীর ফতেয়াবাদ হইতে আসিয়া পটিয়ার হাসিমপুরে বসতি স্থাপন করেন। মরহুম মোহাম্মদ আলীর চার পুত্র ও চার কন্যার মধ্যে মৌলানা সাহেব ছিলেন ২য়। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে মরহুম মোহাম্মদ আলী হাসিমপুর হইতে পটিয়ার থানা আল্লাই ই গ্রাম তথা কাগজী পাড়া আসিয়া বসতি স্থাপন করেন। পদ্মাবতী পুঁথিসহ অসংখ্য গ্রন্থের প্রণেতা কবি সৈয়দ আলাওলের বংশধর হেতু তিনি পুঁথি সাহিত্যের প্রতি অনুরাগী ছিলেন।

শিক্ষা ও কর্ম জীবন : হযরত শাহছুফী মওলানা আশরাফ আলী আলকাদেরী (রহঃ)র শিক্ষাজীবন শুরু হয় গ্রামের মক্তবে। অতঃপর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। প্রাথমিক শিক্ষার গন্ডি পেরিয়ে হাই স্কুলে ২/১ ক্লাস পড়ার পর পড়াশুনা তেমন আর অগ্রসর হয় নি। মৌলানা সাহেব ছোট বেলা থেকে ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও প্রখর ধীশক্তির অধিকারী। ছোট বেলা থেকে তিনি পুথি পাগল ছিলেন। পুঁথির প্রতি ছিল ভীষণ দুর্বলতা। তৎকালিন সময়ে পুঁথির ব্যাপক জনপ্রিয়তা ছিল। গ্রামে গঞ্জে পুথির আসর বসত। মৌলানা সাহেব এসব পুথির আসরে যাতায়াত করতেন। এক পর্যায়ে তিনি পুঁথি সাহিত্যের ব্যাখ্যাকার ও অনুবাদের দিকে তিনি ঝুঁকে পড়েন এবং এলাকায় জনপ্রিয় পুঁথিপাঠক ও ব্যাখ্যাকার হিসাবে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। আস্তে আস্তে তাঁহার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। এ জন্য তিনি বিভিন্ন এলাকায় যেতেন। একবার তিনি জঙ্গলখাইন চৌধুরী বাড়িতে পুঁথির ব্যাখ্যা করতে গেলে চৌধুরী সাহেব তার মেধা ও প্রতিভা দেখে বলেন আল্লাহ আপনাকে তো এ কাজের জন্যে সৃষ্টি করেন নি, আপনি আপনার মেধা দ্বীনের খেদমতে লাগান। এতে মানুষ উপকৃত হবে আরো বেশি। চৌধুরী সাহেবের কথায় উদ্দীপ্ত হয়ে তিনি ২৫ বছর বয়সে সদ্য জন্ম নেওয়া শিশু পুত্র ও স্ত্রীকে শশুর বাড়ীতে রেখে দ্বীনি ইলম অর্জনের জন্যে সুদূর ভারতে চলে যান। তৎকালীন ভারতের বিখ্যাত দ্বীনি প্রতিষ্ঠান দেওবন্দ মাদ্রাসায় ভর্তি হন। উক্ত মাদ্রাসায় কুরআন, হাদীস, তাফসীর এবং ফিকহ শাস্ত্রে পান্ডিত্য অর্জন করে দীর্ঘ ১২ বছর পর তিনি দেশে ফিরে আসেন। উল্লেখ্য তিনি এ সময়ে পবিত্র কুরআন ও হেফজ শেষ করেন। দেশে ফিরে এসে তিনি হাজী আনোয়ার আলী চৌধুরী জামে মসজিদে ইমামতি ও খতীবের দায়িত্বে নিয়োজিত হন। তিনি আজীবন বিনাবেতনে এ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কোন দিন হাট বাজারে যান নি। তিনি রাসূলে পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)’র হাদীসের ওপর আমল করতেন।

রাসূলে করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেছেন ‘আল্লাহর নিকট সর্বাদিক প্রিয় স্থান হচ্ছে মসজিদ এবং অপছন্দনীয় স্থান হচ্ছে বাজার’। তিনি মসজিদের ইমামতির বাইরে যেটুকু সময় পেতেন তা মসজিদের হুজরায় অতিবাহিত করতেন। সর্বদা আল্লাহর যিকিরে রত থাকতেন। তাকওয়া ও খোদাভীতিতে তিনি ছিলেন অনুসরণীয় আদর্শ। মসজিদের ইমামতির পাশাপাশি তিনি হাজী আনোয়ার হাজী চৌধুরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। (বর্তমান আল্লাই ওখারা সরকারী প্রাঃ বিদ্যালয়) এখানে যা বেতন পেতেন তা’দিয়ে পারিবারিক ব্যয় নির্বাহ করতেন। এ পেশায় তিনি আমরণ ছিলেন। মানুষকে হেদায়াত এবং শিক্ষকতার মাধ্যমে এলাকাকে তিনি শিক্ষার আলোকে আলোকিত করেন। ‘‘জ্ঞানান্বেষণ, মিতব্যয়িতা এবং পাপ থেকে সংযম এই তিনটি গুন যদি মানুষের মধ্যে বিদ্যমান না থাকে, তবে কোন ইবাদতই কাজে আসবে না’’। তিনি সারাজীবন রাসুল (সাঃ) এর এই বাণীর অনুশীলন করে গেছেন। দুনিয়াপ্রীতি বা দুনিয়ার বাড়ী গাড়ী আর উন্নতি কোন কিছুর প্রতি তাহার মোহ ছিল না। তিনি তাঁর জীবনের প্রতিটি কর্ম সত্যের নিরিখে ধর্মের আলোকে করে গেছেন। মৃত্যুর পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত এই সত্য থেকে বিচ্যুত হননি। তিনি ছিলেন একজন আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব। স্বীয় পীরের নির্দ্দেশে কঠোর সাধনা ও রিয়াজতের মধ্য দিয়ে রূহানী উন্নতি লাভ করে পুর্ণ কামালি’ত ও খিলাফত প্রাপ্ত হয়েছিলেন। তিনি কঠোর শরিয়ত মেনে চলতেন। তিনি ছিলেন শরিয়ত ও তরিকতের সমন্বিত ধারা লালন কারী বুজুর্গানে দ্বীনের একটি প্রকৃষ্ঠ উদাহরণ। শিরক ও বিদআতকে তিনি প্রাণ ভরে ঘৃণা করতেন। তিনি তরিকত জগতের একজন অন্যতম পীর ছিলেন। তিনি কাদেরীয়া তরিকা ও হানাফী মাযহাব অনুসরণ করতেন।

পারিবারিক জীবন : তাঁর পারিবারিক জীবন ছিল অত্যন্ত সাদাসিদে। তিনি সহজ সরল সৎ জীবন যাপনে অভ্যস্থ ছিলেন। দ্বীন ইসলামের খেদমত ও অনাড়ম্বর জীবন যাপন এর এখতিয়ার করার মাধ্যমে তিনি আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের সন্তুষ্টি ও নৈকট্য হাসিলে সক্ষম হয়েছিলেন। বিয়ে করেন আল্লাই হাজী বাড়ি হতে। ইবাদত বন্দেগীর ভিতর দিয়ে স্বীয় জীবন অতিবাহিত করেন। বাড়ি, মসজিদ, মসজিদের হুজরা ও স্কুল ছিল তাঁর গন্তব্য। তিনি কোন দিন বাজারে যান নাই। বাড়ী থেকে বাজারের কোন বায়না এলে মসজিদের বারান্দায় বসে পরিচিত কোন পথিককে দিয়ে বাজারের কাজ সেরে ফেলতেন। বলতেন আমার জন্য দুই পয়সার অমুক জিনিস কিনে আনিও। দরদাম করিও না। তিনি খুব কমই দাওয়াতে যেতেন। হালাল হারামের ব্যাপারে খুব বেশি সজাগ থাকতেন। বলতেন হারাম খাবার কলবকে অন্ধকার করে ফেলে। তাঁহার থাকার গৃহের অবস্থা ছিল আরো শোচনীয়। বাশের বেড়া, ছনের ছাউনীর একটি ছোট্ট গৃহে পরিজন নিয়ে বসবাস করতেন। বলতেন দুনিয়া মুসাফের খানা। বৈবাহিক জীবনে তিনি ৩ ছেলে এবং ৬ মেয়ের জনক ছিলেন। তার বড় সন্তান হলেন অধ্যক্ষ মওলানা ইব্রাহীম সাহেব। যিনি দীর্ঘ ৫০ বছর বহু স্কুল ও কলেজে শিক্ষকতার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। অনেক ধর্মীয় বই এর লেখক এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ। নূরে মোহাম্মদ (স:) ও মারফতে খোদা তাহার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা গ্রন্থ। ২য় পুত্র ‘‘মোহাম্মদ’’ বৃট্টিশ সরকারের সামরিক বাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় ২য় বিশ্বযুদ্ধে মারা যান। ৩য় পুত্র ইছহাক ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি এক পুত্র, এক স্ত্রী রেখে অল্প বয়সে মারা যান।

ইন্তিকাল : হযরত শাহছুফী মওলানা আশরাফ আলী আলকাদেরী (রহঃ) যতদিন পৃথিবীতে ছিলেন ইমামতি ও শিক্ষকতার মত মহান পেশা ও দ্বীনের খেদমতে রত ছিলেন। এই মহান সাধক পুরুষ অসংখ্য ভক্তকুলকে চোখের জলে ভাসিয়ে ১৯৩৪ সালে রমজান মাসে ইহকাল ত্যাগ করে আল্লাহ্ ও তার রসূলের সানিধ্যে ঢলে যান, জনশ্রুতি আছে তাঁহার বিশাল জানাজায় তৎকালিন সময়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক আলেম উপস্থিত ছিলেন। তাঁর ইন্তেকাল সম্পর্কে তাহার পুত্র অধ্যক্ষ ইব্রাহীম তাঁর লিখিত ডাইরীতে লিখেন : ‘‘মানুষ যখন খোদার নেয়ামত পায় তখন সে উহার মুল্য বুঝতে পারে না, যখন সে উহা হারাইয়া ফেলে তখন উহার জন্য হাহাকার করে। আমার পিতা যখন জীবিত ছিলেন তখন আমি তাকে চিনিয়া উঠিতে পারি নাই। মৃত্যু সন্নিকট হইলে আমি তাঁহাকে চিনিতে আরম্ভ করি। মৃত্যুর পর তিনি আমাকে আরো ভাল ভাবে তাহার পরিচয় দিতে লাগিলেন। পাঠ্যাবস্থায় আমি প্রায় দূরে থাকিতাম। আমাদের মধ্যে প্রায় পত্র যোগাযোগ হইত। নানা নছিহত ও উপদেশে ভরপুর থাকত তাহার এসব পত্র। মৃত্যু সন্নিকট হইলে তিনি আমাকে কলিকাতা হইতে পত্র যোগে ডাকাইয়া আনিলেন। আমি তখন কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হইতে সদ্য স্নাতকোত্তর উত্তর ডিগ্রী লইয়া আরো উচ্চতর লেখাপড়ার জন্য বিলেত যাওয়া প্রচেষ্ঠার রত ছিলাম। পিতার পত্র পাইয়া দ্রুত দেশে আসি। মাসাধিক কাল তাঁহার খেদমত করার। সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। তাঁহার খেদমতে থাকিয়া তাহার আধ্যাত্মিক বিষয়াদি ও নানা কেরামত দেখিয়া আমার চুক্ষ খুলিয়া গেল। ইচ্ছা হইল পিতাকে আর কিছুকাল বাঁচাইয়া রাখি। আমার অবস্থা উপলব্ধি করিয়া তিনি আমাকে বলিলেন, আমার আজল সন্নিকট। আমার জন্য ডাক্তার ওঝা দরকার নাই। তিনি আমাকে তাহার দাফন কাফন জানাযা এবং মৃত্যুর পরবর্তি কার্যক্রম ইত্যাদি বিষয়ে নানা দিক নির্দেশনা দিয়ে দিলেন। যেহেতু আমি ছাত্র ছিলাম সেহেতু এসব কাজের জন্য টাকা কোথায় আছে তাহাও দেখিয়ে দিলেন। এসব কথা শুনে আমি স্তব্ধ হয়ে যাই, শুধু তাহার পার্শ্বে বসে বসে একমাস খেদমত করেছি আর অশ্রু বর্ষণ করেছি।

দাফন : ইন্তিকালের পর হাজী আনোয়ার আলী চৌধুরী জামে মসজিদের দক্ষিণ পার্শ্বে আরাকান সড়ক সংলগ্ন বর্তমান মাজার স্থলে তাঁকে সমাহিত করা হয়। প্রতি বছর তাঁর বার্ষিক ফাতেহা শরীফ মহা সমারোহে অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর বার্ষিক ফাতেহা উপলক্ষে পবিত্র খতমে কুরআন, বোখারী শরীফের খতম ও নানা কর্মসূচী আয়োজন করা হয়। যাতে দেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন ও মোহাদ্দিছীনে কেরাম উপস্থিত হন। ২৩শে ফের্রুয়ারী/১৮ ছিল তাঁর ৮৪তম ফাতেহা শরীফ। আল্লাহ্ আমাদেরকে এ মহান অলির আদর্শে উজ্জীবিত করুন। আমিন। তাঁহার মাজারের পার্শ্বে শাহ আশরাফ ফাউন্ডেশন শাহ আশরাফ একাডেমী প্রতিষ্ঠা করেছে। ইহা একটি বহুমুখী দ্বীনী প্রতিষ্ঠান। এখানে হিফজুল কুরআন বিভাগ, নূরানী বিভাগ, কিন্ডারগার্টেন বিভাগ ও একটি মান সম্মত এতিমখানা রয়েছে। সব মিলে প্রায় তিনশতাধিক ছাত্র এখানে লেখাপড়া করে।

লেখক- ইকবাল কাদেরী, পরিচালক- শাহ আশরাফ একাডেমী, সভাপতি- শাহ আশরাফ ফাউন্ডেশন, আল্লাই, ওখারা, পটিয়া, চট্টগ্রাম।

এখানে মন্তব্য করুন